দুই বাংলার গানে অনুপম রায়

anupam_chitram

।সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক।‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও/আমি নিজেকে নিজের মতো গুছিয়ে নিয়েছি’, ‘বাড়িয়ে দাও তোমার হাত’, ‘এখন অনেক রাত’এমনি সব জনপ্রিয় গানের ভারতীয় শিল্পী অনুপম রায় ২৩ নভেম্বর ঢাকায় গান গাইবেন। এদিন বসুন্ধরা কনভেনশন সিটির নবরাত্রি হলে অন্তর শোবিজের আয়োজনে ‘দুই বাংলার গান’ শীর্ষক কনসার্টে গান গাইবেন তিনি। একই স্টেজে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন বাংলাদেশের এই প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় শিল্পী ন্যান্সি ও পারভেজ।

এ কনসার্ট উপলক্ষে ২২ নভেম্বর দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তেন এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন অন্তর শোবিজের চেয়ার‌্যান স্বপন চৌধুরী, বাংলাভিশনের অনুষ্ঠান প্রধান শামীম শাহেদ, শিল্পী অনুপম রায়, পারভেজ প্রমুখ।

স্বপন চৌধুরী এই আয়োজন নিয়ে বলেন, ‘এটি একটি সিরিজ কনসার্টের অংশ। আমরা এই ধরনের আয়োজন প্রত্যেক মাসেই করতে চাই। শুরুটা একটা ঝমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে হওয়া চাই। তাই দুই বাংলার এই সময়ের সেরা শিল্পী অনুপম রায়কে আমন্ত্রণ।’

অনুপম রায় বলেন, ‘বাংলাদেশে এলে নতুন ভাবনার অনুপ্রেরণা পাই, নতুন চিন্তার অনুপ্রেরণা পাই। যদিও আমি দুই বাংলা মনে করি না। বাংলা ভাষা-ভাষীদের জন্য একটাই বাংলা। আপনাদের ভালোবাসার টানে বারবার ফিরে আসি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অনুপম রায় বলেন, ‘জনপ্রিয়তার খারাপ দিকও আছে। আমার কাছে ব্যক্তি শিল্পী কোনো ব্যাপার না। বড় কিছু না। কিন্তু আমার সৃষ্টিটা বড়। আমার গান যেন আপনাদের কাছে পৌঁছায়, জনপ্রিয় হয়, এই প্রার্থনা তো সবসময় করি। আমি না থাকলেও যেন আমার গান বেঁচে থাকে।’

‘আমাকে আমার মত থাকতে দাও’ এ গানের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি এ গানটা লিখেছিলাম প্রেমের গান হিসেবেই। কিন্তু শ্রোতারা এটাকে অন্যভাবে নিয়েছে। যে কোনো রচনাই আসলে ব্যক্তিগত ঘটনাকে আশ্রয় করেই হয়। পরে আমরা লেখকরা তাতে রং চড়াই, বড় করি। সত্যি কথা বলতে কি, এটা গভীর যন্ত্রণার প্রেমের গান।’

অনুপম তার সঙ্গীতের ক্যারিয়ার নিয়ে বলেন, ‘শুরুতে হতাশায় ছিলাম। মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির অনেককেই আমার গানগুলো শুনিয়েছি। বাংলাদেশের অর্ণব, শাহানা বাজপেয়ি ওদেরকেও শুনিয়েছি। সবাই বলছিল ভাল। কিন্তু কোথাও সুযোগ পাচ্ছিলাম না। কিন্তু সুযোগ যখন পেলাম তখন সাফল্য এমনভাবে আসতে শুরু করল এতটাও প্রত্যাশা করিনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘সত্যি বলতে একদিনে এমনটা হয়নি। ২২/২৩ বছর বয়সে যে গানগুলো লিখেছি সেগুলো এখনকার মতো পরিণত নয়। সাহিত্য পড়ে আমার ভাষা তৈরি হয়েছে। বাংলা কবিতা পড়েছি, বিভিন্ন ভাষার কবিতা পড়েছি। আমার গানটা কীভাবে আলাদা হতে পাওে, সেসব নিয়েও অনেক ভেবেছি। সুরের সাথে কথার সঙ্গে বন্ধন তৈরির চেষ্টা করি। এভাবেই গানগুলো সৃষ্টি হয়েছে।’

FacebookTwitterGoogle+Google GmailPinterestLinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ফেসবুকে চিত্রম

সর্বশেষ সংবাদ

মাসিক আর্কাইভ

নিউজলেটার পেতে সাবসক্রাইব করুন

     Read More »