বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জে টুয়ারর্ডস হরাইজন: রিপ্রেজেন্টিং ল্যান্ডস্কেপ

10837999_780522485361947_5152368592319648286_o
। সৈয়দ ইকবাল ।
২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ সন্ধ্যা ৬টায় বেঙ্গল আর্ট লাউঞ্জে শুরু হয়ে গেল ‘টুয়ারর্ডস হরাইজন: রিপ্রেসেন্টিং ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। একই সঙ্গে “শিফটিং স্যান্ডস” শীর্ষক প্রদর্শনীও শুরু হয়েছে। এই প্রদর্শনীতে যে চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়েছে তার বেশিরভাগই জলরঙে আঁকা ল্যান্ডস্কেপ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গুনী সঙ্গীত সমালোচক আলিমুর রহমান খান, বিখ্যাত স্থপতি রফিক আজম এবং স্থপতি ও শিল্পী নাসিমা খান। কেন প্রাকৃতিক দৃশ্য, বিশেষত বাংলাদেশ ব-দ্বীপের প্রাকৃতিক দৃশ্য কেন শিল্পীর কাছে এতো আকর্ষণীয়? এর কোন বিষয়বস্তু বারংবার উপস্থাপিত হয়? প্রাকৃতিক দৃশ্য কি কোন আধ্যাত্মিক মাত্রা যোগ করে- এইসব চিত্তাকর্ষক প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে আলোচনা করেন বক্তারা।

নাসিমা খানের চিত্রকর্মে মিনিমালিস্টিক যে উপস্থাপন তা দর্শককে দেয় বাঙলার প্রকৃতির আবেদন। তুলির হাল্কা আঁচড়, রঙের সামান্য ব্যবহার আহ্বান জানায় এই ব-দ্বীপ অঞ্চলের অসামান্য ক্ষমতা আর বিশাল ব্যপ্তির। ‘আমার প্রতিটি শিল্পকর্ম আমার কাছে একটি গান অথবা কবিতার মতন। নদীতীরস্থ মালভূমি, স্থল অঞ্চলের যে একঘেয়ে বিষন্নতা, ভারী বর্ষণে কৃষ্ণাভ কর্দমাক্ত পুরো অঞ্চল, বাস্তুভিটের স্নিগ্ধ আঁধার বাসা বাঁধে সূর্যের উজ্জল আলোয় ভেসে যাওয়া সবুজ মাঠের মধ্যখানে- এ সবই আমার মনে এমন এক দৃশ্যেকল্প রচনা করে যার শেকড় গভীরভাবে নিহিত এই বাঙলার শব্দে, গন্ধে, দৃশ্যে’- বলেছেন শিল্পী নাসিমা খান।

শিল্পী নাসিমা খানের চিত্রকর্মে কম্পোসিশনের এই স্বতন্ত্র পরিচিতি খুঁজে পাওয়ার কারন খুঁজতে গেলে হয়তোবা পাওয়া যাবে স্থাপত্য শিল্পে তাঁর পড়াশোনা এবং পেশাদার জীবনে তিনি একজন স্থপতি বলেই। স্থাপত্যশিল্পের প্রভাব, স্থাপত্য নির্মাণের নকশা ও নির্মান বিষয়ক কোন কিছু খুব একটা স্পষ্ট আকারে ধরা পরে না নাসিমা খানের চিত্রকর্মে। আবার শিল্পীর ক্যানভাসে অনেক সময়েই ফুটে ওঠে মরুভূমির ল্যান্ডস্কেপও।

FacebookTwitterGoogle+Google GmailPinterestLinkedIn

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

ফেসবুকে চিত্রম

সর্বশেষ সংবাদ

মাসিক আর্কাইভ

নিউজলেটার পেতে সাবসক্রাইব করুন

     Read More »